অনুসন্ধানী প্রতিবেদন
রাজধানীর গুলশান ও বনানী এলাকার বেশ কিছু অভিজাত হোটেল ও রেস্টুরেন্টে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে শুল্কবিহীন বিদেশি মদ বিক্রি চলছে। পারমিট ছাড়া সাধারণ ক্রেতাদের কাছেও সহজেই মদ পরিবেশন করা হচ্ছে। এতে একদিকে সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
আইন অমান্য করে সারারাত বার খোলা
সরকারি বিধি অনুযায়ী রাত ১১টার পর মদের বার বন্ধ রাখার কথা থাকলেও গুলশান-বনানীর একাধিক হোটেল ও রেস্টুরেন্ট রাতভর খোলা রাখা হয়। গভীর রাত থেকে ভোর পর্যন্ত অতিথিদের কাছে মদ পরিবেশন করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে রাজধানীর অভিজাত এলাকাগুলোতে অসামাজিক কার্যক্রম বেড়ে চলেছে।
পারমিটবিহীনদের কাছে মদ বিক্রি
মদ বিক্রি ও পরিবেশনের জন্য নির্দিষ্ট পারমিট থাকা বাধ্যতামূলক হলেও তা মানা হচ্ছে না। অনেকে পারমিট ছাড়াই বারগুলোতে মদ পাচ্ছেন। এ অবস্থায় সরকারের শুল্ক আয় ব্যাপকভাবে কমছে। শুধু তাই নয়, নিয়ন্ত্রণহীন এই কার্যক্রম তরুণ সমাজকে আসক্তির দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা।
বিশেষজ্ঞ ও সচেতন মহলের মতামত
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের নিয়মিত মনিটরিং ও অভিযান চালু না থাকায় এ ধরনের আইন ভঙ্গের প্রবণতা বেড়েই চলছে। সময়মতো অভিযান না চালালে অভিজাত হোটেলের আড়ালে গড়ে ওঠা এই মদের বাজার আরও বিস্তৃত হবে|
সচেতন নাগরিকরা অবিলম্বে গুলশান ও বনানীর অভিজাত হোটেল ও রেস্টুরেন্টগুলোতে মনিটরিং জোরদার ও নিয়মিত অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা শুল্ক ফাঁকি ও আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।


