পুনরায় সিসা লাউঞ্জ চালু_মাদকবিরোধী জোটের অভিযোগ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নিকট দাখিল হবে কাল_
স্টাফ রিপোর্টার | ঢাকা | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
রাজধানীর বনানী ও গুলশান এলাকায় অবস্থিত দুটি হোটেল—হোটেল ইউনিক রিজেন্সি (বনানী) ও হোটেল সুইট ড্রিম (কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, বনানী)—এ সিসা (শীশা) লাউঞ্জ চলার ঘটনায় মাদকবিরোধী এক জোট কাল আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নিকট_জোটের দাবি, এই অবৈধ কার্যক্রম “কিছু প্রশাসনিক এবং নিরাপত্তা সংস্থার অফিসারের গোপন মদদ” থাকায় দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহত রয়েছে।
জোটের অভিযোগ ও বক্তব্যে প্রমাণসহ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও স্থানীয় ক্ষমতাবান ব্যক্তি সিসা লাউঞ্জ পরিচালনার মদদদদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে—যাদের নাম জোটের প্রস্তুতকরা অভিযোগ এর নথিপত্রে রয়েছে। মাদকবিরোধী জোটের নেতা সাংবাদিকদের বলেছেন, “বনানী-গুলশানে প্রকাশ্যে চলছে ২_৩,টি শীশা বার; প্রশাসনের কয়েকটি স্তর এতে গুমরাহমূলকভাবে নীরব বা সরাসরি সহায়তা দিয়ে আসছে—এ বিষয়ে আমরা লিখিত ও প্রমাণভিত্তিক অভিযোগ জানাব।”
অভিযোগ কী বলছে
মাদকবিরোধী জোটের অভিযোগসংবলিত দাবি সংক্ষেপে:
উল্লেখিত হোটেল দুটিতে লাইসেন্সবহির্ভূতভাবে শীশা সরবরাহ ও সেবন করা হচ্ছে।
স্থানীয় কোনো স্তরের আইন-শৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের গোপন মদদে এই কার্যক্রম টিকে আছে।
অভিযোগকারী জোট দ্রুত ও স্বাধীন তদন্ত দাবি করছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা চায়।
পারদর্শী আইনী বিশ্লেষক ডক্টর স্বাধীন মালিক মন্তব্যে বলেন—২০১৬ সালে শীশা বারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী অনুমোদনবিহীন মাদক/তামাকজাত দ্রব্য সেবা বেআইনি; আইন অমান্য করলে সাজার বিধান রয়েছে। অভিযোগ যদি সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে কেবল প্রতিষ্ঠান নয়, যেসব ব্যক্তি বা অফিসার জড়িত তারা সশ্রদ্ধ বিচারের মুখে পড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞ ও জনস্বাস্থ্য উদ্বেগ
স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেন—শীশা সেবনের ফলে তামাক/নিকোটিন নির্ভরতা, শ্বাসতন্ত্র সংক্রমণ ও বিভিন্ন রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি বাড়ে; একই পাইপ বহুজন ব্যবহার করলে সংক্রামকের সংক্রমণ দ্রুত ছড়াতে পারে।


